কাতারের আমিরের ঐতিহাসিক কঙ্গো সফর
ডেস্ক নিউজ
এনভিবিডি24 ডটকম
২২ নভেম্বর, ২০২৫
মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষুদ্র জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশ কাতার। দেশটির আমির তামিম বিন হামাদ আল-থানি গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের(ডিআরসি) সফরে দেশটির রাজধানী কিগালি পৌঁছেছেন গতকাল শুক্রবার। তিনি হলেন ডিআরসি সফরকারী প্রথম আরব দেশ। কাতার দেশটির বিদ্রোহী গ্রুপ এম২৩ এবং ডিআরসি সরকারের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করে। দোহায় চুক্তিটি স্বাক্ষর করার কয়েকদিন পর আমিরের এই সফর অনুষ্ঠিত হল। সূত্র: কাতার বার্তাসংস্থা
সরকারি সফরে কাতারের আমির কিনসাসা পৌঁছুলে তাকে উষ্ঞ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। আমির এনজিলি বিমান বন্দরে অবতরণ করার পর তাকে স্বাগত জানান কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেদি তাকে অভ্যর্থনা জানান।
শেখ তামিম রুয়ান্ডার রাজধানী কিনসাসা থেকে কঙ্গোর রাজধানী কিগালি যান। রুয়ান্ডা কঙ্গোর বিদ্রোহী এম২৩ আন্দোলনকে সহায়তা দিচ্ছে বলে অভিয়োগ রয়েছে। কিগালিতে আমির দেশটির প্রেসিডেন্ট পল কাগমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমিরের দপ্তর থেকে একথা জানানো হয়েছে।
গত সপ্তাহে দোহায় ডিআরসি ও এম২৩ একটি শান্তি চুক্তির রূপরেখায় স্বাক্ষর করে। এ চুকিতর লক্ষ্য হলে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের যুদ্ধ বন্ধ করা। এ সংঘাতে সেখানে চলতি বছর হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ বাস্তচ্যুত হয়েছেন।
কাতারের মধ্যস্থতায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কঙ্গো সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে নানা বিষয়ে যে সমঝোতা হওয়ার পর চুক্তিটি স্বাক্ষর হল।আমির কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান কয়েক দশকব্যাপী সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করছেন। এই সংঘাত অনেক সময় বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেয়ার হুমকি সৃষ্টি করেছে।
কাতারের মধ্যস্থতার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন জানাচ্ছ।এম২৩ বিদ্রোহীরা চলতি বছরের শুরু থেকে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের কৌশলগত এলাকাগুলের দখল করে রেখেছে। তাদেরকে সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে রুয়ান্ডা সরকার বলে কিগালি অব্যাহতভাবে অভিযোগ করে আসছে। রুয়ান্ডা অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করছে।
গত ২৩ মার্চ এম২৩ এর সাথে করা ২০০৯ সালের শান্তি চুক্তি ভেঙ্গে গেলে সেখানে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। কঙ্গোর বিদ্রোহীরা তুৎসি সম্প্রদায়ের মানুষ। আর রুয়ান্ডার মানুষও এই সম্প্রাদায়ের মানুষ। কঙ্গোর সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ হল হুতি সম্প্রদায়ের সদস্য।

