আন্তর্জাতিকসর্বশেষ

রেস্তোরাঁর মেঝেতে ঘুরে বেড়াচ্ছে মাছ, দিচ্ছে খরিদ্দারের পায়ে সুড়সুড়ি

নিউজ ডেস্ক

এনভিবিডি২৪ডটকম

১৮ নভেম্বর, ২০২৫

দষ্কিণপূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড। দেশটির মধ্যাঞ্চলের নাখন পাথম প্রদেশের একটি সাধারণ রেস্তোরা যার নাম পা জতি।হঠাৎ এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর কারণ রেস্তোরার রেসিপি নয়, মেঝেয় ছোটাছুটি করা জীবন্ত মাছ।

রেস্তোরাঁটিতে খাবার খেতে রীতিমতো লাইন পড়ে যায়  খরিদ্দারের। তারা একের পর ছবি তোলেন, ভিডিও করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এতে করে রেস্তোরাঁটার জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে গেছে।

ওই থাই রেস্তোরাঁর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণ যে মাছ সেটা কিন্তু তার মেনুতে স্থান পাওয়া খাদ্য নয়, জীবন্ত মাছেরা। মাছগুলো রেস্তোরাঁর মেঝেতে সাতরে বেড়ায়, মাঝেমধ্যে তাদের পায়ে সুড়সুড়ি দেয়।

রেস্তোরাঁটি রাজধানী ব্যাংকক থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পা জতি নামের রেস্তোরাঁর পাশ দিয়ে চলা একটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের এলাকায় বন্যা দেখা দেয়।

রস্তেোরাঁটি রাজধানী ব্যাংকক থকেে ৩০ কলিোমটিার দূরে থাইল্যান্ডরে নাখন পাথম প্রদশেে অবস্থতি, নাম ‘পা জতি’। রস্তেোরাঁর পাশরে একটি নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার পানি ওই রস্তেোরাঁর ভেতরে ঢুকে পড়েছে। আর বন্যার পানির সঙ্গে ভেসে আসছে নানা প্রজাতির, নানা রঙের মাছ।

নদীর পাড়রে ওই রস্তেোরাঁর বয়স ৩০ বছররে বেশি। মালকিরে নাম পর্নকমল প্রাংপ্রেমিপ্রো চার বছর আগে প্রথমবার যখন রস্তেোরাঁটি বন্যার পানিতে ভেসে গিয়েছিল তখন তার মন খুবই খারাপ হয়েছিল।

পর্নকমল বলেন, ‘আমার মনে হয়ছিল, হয়ত আর কোনো খরিদ্দার আমার এখানে খেতে আসবেন না। কিন্তু একজন খরিদ্দার এখানে খেতে এসে মঝেতে জীবন্ত মাছ ঘোরাঘুরি করার ছবি তুলে তা অনলাইনে পোস্ট করেন। তারপরই অনেক মানুষ এখানে আসতে শুরু করেন।’

রেস্তোরাঁয় আসা খরিদ্দাররা মাছের ঝাঁকের সঙ্গে ছবি তোলেন, কেউ কেউ আবার মাছকে খাবার দান করেন।

বন্যার সময় উল্টো রেস্তোরাঁয় বেচাবিক্রি অনেক বেড়ে যায় বলে জানান পর্নকমল। তিনি বলেন,  , অন্য সময়রে তুলনায় বন্যার সময় তার রেস্তোরাঁয় বেচাবিক্রি দ্বিগুণ বেড়ে যায়।

স্বামী-সন্তান নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে এসেছেন ২৯ বছর বয়সী চমফুনুথ খান্তানতি।তিনি পরিবার নিয়ে নাখন পাথম প্রদশেইে বাস করেন। এই নারী বলেন, পায়ের কাছে জীবন্ত মাছ ঘুরে বড়োনো এই রেস্তোরাঁর খবর শুনে তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলেন না।

খান্তানতি আরও বলেন,, ‘আমার মনে হয়, এটা দারুণ। কারণ, আমরা এখানে বাচ্চাদরে আনতে পারি, বাচ্চারা ছোটাছুটি না করে শান্তভাবে মাছগুলো দেখে। মজা পায়। আমার মনে হয়, থাইল্যান্ডে একমাত্র এখানেই আপনি এভাবে মাছ ঘোরাফেরা করতে দেখতে পাবেন।’

ক্যাপশন: ছবি ইউটিউব থেকে সংগৃহীত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *