রাজনীতিসর্বশেষ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুর্নবহালে ভোটাধকিার ফিরে পাবে জনগণ: জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক

এনভিবিডি24ডটকম

২০ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদশে সুপ্রিম কোর্টের এক যুগান্তকার ও ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুর্নবহাল হওয়ার রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতবিার (২০ নভেম্বর) রায়ের পর দুপুরে এক প্রতিক্রিয়ায়  জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের  প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘এ রায়ের মাধ্যমে দেশের জনগণেরবহুল প্রতীক্ষিত প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে এবং তারা তাদের  ভোটাধিকার ফিরে পাবে। এটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

 র্দীঘ শুনানির পর সুপ্রিম কোর্টের এই রায় সবার মনে সন্তুষ্টি ও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

দুপুর ২টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় র্কাযালয়ে আয়োজতি সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকটে জুবায়ের মামলাটির সঙ্গে জড়িত সব আইনজীবী, পক্ষভুক্ত ব্যক্তিবর্গ এবং আদালতকে সহযোগতিা প্রদানকারী সবাইকে জামায়াতের পক্ষ থেকে আন্তরকি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ২০১১ সালে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেশকে এক অন্ধকার যুগে ঠেলে দিয়েছিলেন। আজকের রায়ের মাধ্যমে জাতি সেই অন্ধকার থেকে মুক্তি লাভ করেছে।

জামায়াতের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৮৩ সালের ২০ নভেম্বর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত এক বিরাট জনসভায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত আমির জনাব আব্বাস আলী খান প্রথম কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান। প্রকৃতপক্ষে এই পদ্ধতির ধারণা উপস্থাপন করেন জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযম। পরবর্তীত  এই দাবি গণদাবিতে পরিণত হয়। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর সব দলরে সম্মতিতে তৎকালীন প্রধান বচিারপতি শাহাবুদ্দনি আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও কেয়ারটেকার  সরকাররে প্রধান করা হয়। তার নতেৃত্বে ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠতি নির্বাচন ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ-যা দেশবিদেশে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়। এরপর র্দীঘ আন্দোলনরে পর ১৯৯৬ সালে সংবধিানে কয়োরটকোর সরকারব্যবস্থা যুক্ত হয় এবং কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থার অধীনে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনও নিরপেক্ষভাবে অনষ্ঠিত হয়।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন ছিল বিতর্কিত।  কেয়ারটেকার ব্যবস্থা বাতিল করার পর ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫৩ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি ঘোষণা করা হয়, যা ছিল সরাসরি ভোটারবিহীন নির্বাচন। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের মাধ্যমেই ওই নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়। একইভাবে ২০১৮ সালে আগের দিন রাতে ব্যালটে সিল মেরে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন  অনুষ্ঠতি হয়। ২০২৪ এর ৭ জানুয়াররি নির্বাচনও ছিল– ‘আমি, তুমি ও ডামি’ নামে পরিচিত এক ভুয়া ভোটগ্রহণের নাটক, যা বিরোধীদলগুলো র্বজন করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন– দলটির অফিস  সেক্রেটারি  মাওলানা আফম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান এবং প্রচার সহকারী আব্দুস সাত্তার সুমন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *