আন্তর্জাতিকসর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

১০ অক্টোবর থেকে ১৯৪ বার যুদ্ধবিরতি লংঘন করেছে ইসরাইলি বাহিনী

গাজায় ইসরাইলি হামলায় বিধ্বস্ত একটি এলাকা। ছবি: মিডল ইস্ট আই

নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি২৪ডটকম
০৩ নভেম্বর, ২০২৫
ইসরাইল গাজায় পুরোপুরি ত্রাণবহরের প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে না এবং আহতদের বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য উদ্ধার করতে মিশরের সঙ্গে রাফাহ ক্রসিংও পুণরায় খুলে দিচ্ছে না। গাজার কর্মকর্তারা একথা বলেছেন। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
গাজার তথ্য দফতর বলেছে, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি শুরুর পর ইসরাইল ১৯৪ বা তা লংঘণ করেছে। দফতরটির পরিচালক ইসমাঈল আল-তাওয়াবতেহ রোববার আনাদোলুকে বলেন, এই সব লংঘণের মধ্যে তথাকথিত ‘হলুদ রেখার’ লংঘণ করে ইসরাইলি সেনাদের অনুপ্রবেশ, মেডিকেল সরঞ্জাম, ওষুধপত্র, তাঁবু ও ভ্রাম্যমান বাড়ি প্রবেশে বাধাদান, গোলা ও গুলিবর্ষণ এবং সামরিক অনুপ্রবেশ।
তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আমরা আশা করেছিলাম। কিন্তু ইসরাইল অব্যাহতভাবে তা লংঘন করছে। তারা অন্তত ১৯৪ বার যুদ্ধবিরতি লংঘন করেছে। থাওয়াবতেহ বলেন, তার দফতর প্রতিদিনই মধ্যস্থতাকারীদেরকে এসব যুদ্ধবিরতি লংঘনের বিবরণ জমা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ইসর্ইালি বাহিনী বহু বার ‘হলুদ রেখা’ লংঘন করেছে। তারা সামরিক যানগুলোকে আবাসিক এলাকায় পাঠাচ্ছে এবং বিমান হাামলা চালাচ্ছে ও বাড়িঘর ধ্বং করছে। এতে বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন।
থাওয়াবতেহ জনগণকে ‘হলুদ রেখার’ কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সেখানে গেলে কোন রূপ সতর্কতা ছাড়াই ইসরাইলি সেনারা হামলা চালাতে পারে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরাইলি সেনারা গাজার যে এলাকা ত্যাগ করে চলে গেছে তার সীমানা হচ্ছে এই হলুদ রেখা।
গাজার তথ্য দফতরের পর্রিসংখ্যান অনুযায়ী ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্ধারিত ১৩ হাজার ২০০টি ত্রাণ ট্রাকের মধ্যে মাত্র ৩২০৩টি প্রবেশ করেছে। যা চুক্তির মাত্র ২৪ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *