মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ভয়াবহ বিস্তার ঘটার ইঙ্গিত নেতানিয়াহুর
নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি24ডটকম
০৫ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার এই পর্যায়ে অনেকগুলো ঘটনা একই সঙ্গে ঘটছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলছেন, ইরানের ইস্পাত শিল্প ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় তাদের হামলা করা হয়েছে যাতে করে দেশটি অস্ত্র তৈরিতে বাধার মুখে পড়ে। সূত্র: আলজাজিরা
এদিকে ইসরাইলের সেনাবাহিনী জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়িয়েছে। ফলে স্কুলে পাঠদান অনলাইন অব্যাহত থাকবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো জনসমাগম করা যাবে না। ফলে আপাতত জনজীবন স্বাভাবিক হচ্ছে না।
এসব যখন ঘটছে, ঠিক তখন ইসরাইলের সামরিক বাহিনী তাদের সংবাদমাধ্যমগুলোকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে সংঘাত বৃদ্ধির বিষয়ে এরই মধ্যে ব্রিফিং চলছে। কারণ মনে হচ্ছে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং তারা এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে ইরানের পাওয়ার গ্রিড ও জ্বালানি সম্পদে আঘাত হানার অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এসব হামলার বিষয়ে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইসরাইলের পক্ষ থেকে দেওয়া বার্তাটি হলো—একটি বড় ধরনের সংঘাত আসন্ন এবং এটি হবে এই যুদ্ধের শেষ পর্ব।
তবে এই বার্তায় সমীকরণের অন্য দিকটি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। বাস্তব পরিস্থিতি হলো, ইরানের হামলায় ইসরাইলের জনগণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দেশটির অনেক সমালোচক এখন বলছেন, এই যুদ্ধের কোনো রাজনৈতিক কৌশল বা যুদ্ধ শেষের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেতানিয়াহু সরকারের নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি চুক্তিতে আসতে হবে অথবা হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে হবে হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছেন, অন্যথায় দেশটির ওপর “নরক নেমে আসবে। এরপর নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ইসরাইলের আগ্রা সন আরও ভয়াবহ পর্যায়ের দিকে গড়াচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের আশংকা।

