প্রযুক্তিসর্বশেষ

সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে র্সূয নয়, অন্য এক শক্তি!

প্রযুক্তি ডেস্ক
এনভিবিডি২৪ ডটকম
১৬ নভম্বের, ২০২৫

আমাদের সৌরজগৎ র্সূযকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় বলে মনে করা হয়। অন্য সব গ্রহ র্সূযকে কেন্দ্র করে ঘোরে। মহাবিশ্বের সবচেয়ে আর্কষণীয় দিক হল সেখানে সবকিছুই গতিশীল। গ্রহগুলি ঘুরছে নিজের অক্ষে, এবং আমাদের র্সূযের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এটি গতিশীল এবং সৌরজগতের ঠিক কেন্দ্রে নয়। এটি ব্যারিকেন্দ্র নামে পরিচিত একটি রহস্যময় বস্তুর চারপাশেও ঘোরে।
এটি মহাকাশে একটি অদৃশ্য বিন্দু যেখানে র্সূয এবং গ্রহগুলোর ভর সমান হয়ে থাকে। এর মাধ্যার্কষণ শক্তি গ্রহ এবং র্সূযকে নিজের দিকে টেনে আনে, যার র্অথ আমাদরে নক্ষত্রেরও একটি কক্ষপথ রয়েছে।
ব্যারিকেন্দ্র হল সেই বিন্দু যেখানে একটি সিস্টেমের দুইটি বস্তুর মধ্যাকর্ষণ শক্তি ভারসাম্যপূর্ণ হয়। যখন দুই বা ততোধকি বস্তু মাধ্যার্কষণ শক্তি দ্বারা একত্রতি হয় তখন এটি তৈরি হয়। এটি র্সবাধকি ভরযুক্ত বস্তুর কাছে অবস্থিত। আমাদের ক্ষেত্রে সূ্র্যের কাছাকাছি কারণ এটি আমাদরে সৌরজগতরে সবচেয়ে ভারী বস্তু, তবে এর কেন্দ্রে নয়।

আমাদের র্সূয প্রায়শই টলমল করে। এটইি ব্যারিসেন্টারের অস্তিত্ব প্রকাশ করে। বৃহস্পতি ও শনির মতো ভারী গ্রহগুলোর টানের কারণে যখন ব্যারিসেন্টারটি নড়ে ওঠে তখন এটি ঘটে। তাদের ভরের র্অথ হল সূর্যের উপর তাদের সবচেয়ে বেশি টান। তাই যখন তারা একটি নির্দিষ্ট উপায়ে সাবিবদ্ধ হয়, তখন তারা ব্যারিসেন্টারকে বাইরের দিকে টেনে নেয়, যার ফলে র্সূযও কিছুটা নড়বড়ে হয়ে যায়। নাসা এবং অন্যান্য মহাকাশ সংস্থা অতীতে এই গতবিধি র্পযবক্ষেণ করেছে। তবে উন্নত প্রযুক্তি এবং আরও গবেষণা ব্যারিসেন্টার সর্ম্পকে আরও স্পষ্টতা এনে দিয়েছে। এই আবষ্কিার সৌরজগতের কেন্দ্রে র্সূয থাকার প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো তত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে।
১৫৪৩ সাল র্পযন্ত, জ্যোতর্বিজ্ঞিানীরা বিশ্বাস করতেন যে পৃথিবী সৌরজগতের কেন্দ্র। পোলিশ জ্যোতর্বিজ্ঞানী কোর্পানিকাস সেই বছরই এই ধারণা প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি প্রমাণ করছেলিনে যে র্সূয কেন্দ্রে রয়েছে এবং সমস্ত গ্রহ তার চারপাশে ঘোরে। কিন্তু আধুনিক জটিল প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ব্যারিসেন্টার নিজেকে প্রকাশ করতে শুরু করে। কিছু একটা র্সূযকে গতশিীল করে তুলছিল এবং এটি ছলি ব্যারিসেন্টার। ভারী গ্রহগুলোর দ্বারা পরিচালিত এই টানই অন্যান্য নক্ষত্রমণ্ডলে গ্রহের অস্তিত্ব প্রকাশ করে। মানুষ যখন মহাকাশে ভ্রমণের জন্য, চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে অবতরণরে জন্য প্রস্তুতি নেয় তখন এই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ প্রমাণিত হয়। ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযানের জন্য আমাদের সৌরজগত কীভাবে কাজ করে তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ।
ক্যাপশণ: সূর্য যাকে কেন্দ্র করে ঘোরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *