আন্তর্জাতিকসর্বশেষ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ আরো বাড়তে পারে ভারতের সমস্যা

নিউজ ডেস্ক

এনভিবিডি24ডটকম

১৫ এপ্রিল, ২০২৬    

হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াত করা জাহাজের ওপর সোমবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যকর হয়েছে- এমনটাই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগেই অবশ্য তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে ইরানের “হামলাকারী জাহাজ” যদি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কাছাকাছি আসে, তাহলে সেগুলোকে “ধ্বংস করে দেওয়া হবে।”

সম্প্রতি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আয়োজিত শান্তি আলোচনায় যুদ্ধ অবসান নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এরপরই হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সূত্র: বিবিসি বাংলা

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর তরফে জানানো হয় মি. ট্রাম্পের আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী সোমবার সকাল ১০টা থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ কার্যকর করবে।

তবে সেন্টকম জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালি থেকে ইরানের কোনো বন্দরে যাওয়া-আসা করছে না এমন জাহাজের পথ আটকাবে না মার্কিন বাহিনী।

এদিকে, ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত আলোচনার ফলপ্রসূ না হওয়ার পর অপরিশোধিত তেলের দাম আবার ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।

জ্বালানি বাজার খোলা মাত্রই সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের মূল্য ৭.৫ শতাংশ বেড়ে ১০২.৩৭ ডলার দাঁড়ায়। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড অয়েলের মূল্য ৮.৩ শতাংশ বেড়ে ১০৪.৫৬ ডলারে পৌঁছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে সমস্যায় পড়েছে বিশ্ব। ক্রমে অনিশ্চয়তা আরো বেড়েছে। আয়ারল্যান্ডে দেশব্যাপী বিক্ষোভের পর মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে পেট্রোল ও ডিজেলের উপর ধার্য কর কমানোর কথা বলা হয়েছে।

তেলের জন্য হরমুজ প্রণালির উপর ভারতের ‘নির্ভরতা’

অপরিশোধিত তেল সরবরাহের দিক থেকে হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং এলএনজি এই জলপথের মাধ্যমেই পরিবহন করা হয়।

ভারত তার পেট্রোলিয়াম পণ্যের প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানি করে এবং এর একটা বড় অংশ হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়। একইসঙ্গে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেলের ভোক্তাও বটে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, পেট্রোলিয়াম আমদানির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। এখন ৪১টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হয়। কিন্তু বিশ্লেষকরা এই আশঙ্কায় ভুগছেন যে হরমুজের মধ্য দিয়ে সরবারহ হওয়া তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের একটা বড় অংশ ভারত আমদানি করে।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হর্ষ পন্থ বিবিসি নিউজ হিন্দিকে বলেন, “ভারত তার তেলের চাহিদার প্রায় ৯০ই শতাংশ আমদানি করে, যার মধ্যে ৫০ শতাংশ হরমুজ হয়ে আসে। এই মুহূর্তে যা কেনা হচ্ছে সেটা চড়া দামে। (হরমুজ প্রণালিতে) অবরোধ এই সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।”

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির ৫০% এরও বেশি মধ্যপ্রাচ্য বিশেষত ইরাক, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছিল।

প্রসঙ্গত ২০১৯-২০২২ সালে মধ্যপ্রাচ্যের উপর ভারতের নির্ভরতা ৬০%-এরও বেশি বেড়ে গিয়েছিল। এতটা নির্ভরতার কারণে, এই খাতে যে কোনো রকমের বাধা তেল সরবরাহকে প্রভাবিত করতে পারে।

যাই হোক, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ১১ই মার্চ ভারত সরকারের আন্তঃমন্ত্রণালয় ব্রিফিংয়ের সময়, বলা হয়েছিল যে দেশের অপরিশোধিত তেলের আমদানির ৭০ শতাংশই সরবরাহের জন্য এখন হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে না। দেশের শক্তি সরবরাহ নিরাপদ রয়েছে।

এলপিজি ও এলএনজি সাপ্লাইয়ের উপর প্রভাব

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দিক থেকে ভারত বিশ্বের চতুর্থ এবং এলপিজির নিরিখে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক।

এই আমদানি হয় মূলত মধ্যপ্রাচ্য থেকে। মি. পন্থ বলেন, “ভারত তার এলপিজির ৬০ শতাংশই আমদানি করে, যার ৯০ শতাংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসে।”

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার এলএনজি উৎপাদনের বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ এবং তারা নিজেদের দেশে তেলের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।

ব্লুমবার্গের মতে, ভারত প্রয়োজনীয় এলপিজির বেশিরভাগ এবং এলএনজির দুই-তৃতীয়াংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে কেনে। কাতার ভারতে বৃহত্তম এলএনজি সরবরাহকারী এবং বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী দেশ। উল্লেখ্য কাতার ইতোমধ্যে তার উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।

কাতার বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলএনজি সরবরাহকারী দেশও বটে এবং এক্ষেত্রে প্রধান কারণ সেখানকার রাস লাফান গ্যাস ফিল্ড। এটি কাতারে ‘ক্রাউন জুয়েল’ নামেও পরিচিত এবং এখানেই হামলা করেছিল ইরান। যার ফলে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছিল এই গ্যাস ফিল্ড।

এই পরিস্থিতিতে, শিল্পক্ষেত্রে ভারতীয় কোম্পানিগুলোকে ইতোমধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ২০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এর আগে ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় গৃহস্থালি, পরিবহন খাত এবং এলপিজি উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছিল।

মি. পন্থ জানিয়েছেন, প্রথমে ইরানের তরফে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা এবং যুক্তরাষ্ট্রের তরফে সেখানে অবরোধের হুমকি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহনের বিষয়টাকে আরো জটিল করে তুলেছে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ায়।

যে সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী অবরোধ করবে বলে ঘোষণা করেছিলেন, সেই সময় এমন খবরও ছিল যে ২০ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনকারী ইরানি ট্যাংকার ভারতের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

গত সাত বছরে এই প্রথমবার ইরান থেকে তেল ভারতে এসেছে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এই তেল আমদানি করেছে। সূত্রের খবর, আগামী দিনে ইরান থেকে আরো কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল ভারতে আসবে।

মেরিন ট্রাফিক ইনস্টিটিউটের তথ্য উদ্ধৃত করে বিবিসি পারসিয়ান জানিয়েছে, রোববার তিনটে ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে আরব সাগরে প্রবেশ করেছে।

সারের উপর প্রভাব

জাতিসংঘের মতে, ইউরিয়া, পটাশ, অ্যামোনিয়া এবং ফসফেটের মতো বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সার সাধারণত হরমুজ প্রণালির মধ্যে দিয়ে যায়।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই রুটে সার সংক্রান্ত পণ্যের চালান প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। মার্চের শেষের দিকে প্রকাশিত বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সারের ক্ষেত্রে চীনের পর ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভোক্তা। শুধু তাই নয়, কাঁচামাল এবং সমাপ্ত পণ্যের জন্য আমদানির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

এর একটা বড় অংশ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আসে এবং হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়। ভারত প্রতি বছর প্রায় ৪০ মিলিয়ন টন ইউরিয়া ব্যবহার করে। এই খাতে সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হয়। হর্ষ পন্থ বলেছেন যে সরবরাহে ব্যাঘাত কৃষকদের বীজ বপনের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।

তার কথায়, “ভারতে মূল বীজ বপনের মরসুম জুন-জুলাই মাসে আসবে। ইউরিয়া তৈরির প্রধান কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ভারত এর প্রায় ৮৫%ই আমদানি করে। এর বেশিরভাগই আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে।”

অনেক বিশ্লেষকের মতোই হর্ষ পন্থ বলছেন, হরমুজ প্রণালি খুললেও যুদ্ধের আগে যে পরিস্থিতি ছিল, সেই পরিস্থিতিতে ফিরে আসতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় লাগবে। তার মতে জ্বালানি খাতের ব্যাপক ক্ষতি বৃদ্ধি, হরমুজের ল্যান্ডমাইন অপসারণ এবং পরিবহন বীমার ব্যাপক বৃদ্ধি বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।

জেনেরিক ওষুধের বাজারে প্রভাব

পেট্রোকেমিক্যাল থেকে প্রাপ্ত পদার্থ যেমন মিথানল এবং ইথিলিন বিশ্বস্তরে ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক এবং ভ্যাকসিনসহ ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদনের মূল উপাদান।

বিবিসি ভেরিফাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিশ্বব্যাপী পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন ক্ষমতার প্রায় ছয় শতাংশ রয়েছে ‘গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল’-এর অন্তর্গত দেশগুলো সৌদি আরব, কাতার, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং বাহরাইনের কাছে।

ফোর্বসের তথ্য অনুসারে, বিশ্বব্যাপী ফার্মা সাপ্লাই চেনে ২০ শতাংশেরও বেশি অংশীদারিত্ব ভারতের। এর মধ্যে অনেকগুলোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে পাঠানো হয়।

এই ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের অনেকগুলোই উপসাগরীয় অঞ্চলের বিমানবন্দর থেকে বিশেষত দুবাই থেকে বিশ্ব বাজারে পাঠানো হয়। যুদ্ধের কারণে এই রুট প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

ভারতে উৎপন্ন জেনেরিক ওষুধের রপ্তানির জন্য বৃহত্তম বাজার হলো যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৪ সালে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নয় বিলিয়ন ডলার মূল্যের ফার্মাপণ্য রপ্তানি করেছে।

হর্ষ পন্থ জানিয়েছেন যুদ্ধের অনিশ্চয়তা বিশ্বব্যাপী ফার্মা সরবরাহ শৃঙ্খলকে অনেকাংশে প্রভাবিত করেছে এবং এর আঁচ ভারতেও পড়বে।

তিনি বলেন, “হরমুজ পুরোপুরি বন্ধ না থাকলেও পরিবহনের খরচ ইতোমধ্যে বেড়ে গিয়েছে। এ ছাড়া সরবরাহের সময়ও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এতে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে।”

ভারতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব

ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, ইরান যুদ্ধের কারণে, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ২০২৭ অর্থবছরের জন্য আনুমানিক জিডিপি বৃদ্ধির হার কমিয়ে ৬.৯ শতাংশে এনেছে। গত অর্থবছরে, আনুমানিক জিডিপি বৃদ্ধি ৭.৬ শতাংশ হবে বলে মনে করা হয়েছিল। এটা স্পষ্ট যে জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাতের কারণে ভারতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাবের আশঙ্কা আরো বেড়েছে।

তিনি বলেন, “অপরিশোধিত তেল ছাড়াও এলএনজি, সার, রাসায়নিকের সমস্যা শিল্পের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ। এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা বাড়বে, তেমনই সরকারের জন্যও কঠিন সময় হবে।”

তার মতে, আমদানির খরচ বাড়ার ফলে রাজস্ব ঘাটতিও বাড়বে এবং তা বাণিজ্য ভারসাম্যকে প্রভাবিত করবে। অন্যদিকে ভারতীয় অর্থনীতির সামনে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে।

গত কয়েক মাসে ডলারের তুলনায় ভারতে টাকার দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এতে ভারতীয় রপ্তানির ক্ষেত্রে সুবিধা হলেও আমদানি ব্যয়বহুল হবে। এটাও সরকারের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, যদি তাড়াতাড়ি যুদ্ধ শেষ হয়, তাহলে ভারতীয় অর্থনীতি স্থিতিশীল হতে বছরের অন্তত দুই চতুর্থাংশ সময় লাগবে।

হর্ষ পন্থ বলেছেন যে এই মুহূর্তে সরকারের সামনে তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ হলো বাণিজ্য ঘাটতি। এরপর কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতির চ্যালেঞ্জও দেখা দেবে।

একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে। আর যদি এমনটা হয়, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে ভারতে আসা রেমিট্যান্সও (বিদেশি মুদ্রা পাঠানো ভারতীয়রা) ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৯০ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজ করে বলে অনুমান করা হয়। এদের বেশিরভাগই জীবিকা নির্বাহের জন্য সেখানে গিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *