রাতের তাপমাত্রায় তৈরি হবে বিদ্যুৎ
প্রযুক্তি ডেস্ক
এনভিবিডি২৪ ডটকম
১৬ নভম্বের, ২০২৫
রাতের আকাশ মানেই তারার ঝলক। রাত মানেই যেন পৃথিবীর বিশ্রাম। পরিস্কার রাতে পৃথিবী নি:শব্দে দিনের বেলায় গ্রহণ করা সূর্যের তাপ মহাকাশে নির্গত করে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ভেভসি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীরা পৃথিবীর স্বাভাবিক শীতল হওয়ার প্রক্রিয়া থেকে স্থিতিশীল শক্তি প্রবাহ তৈরি করার পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন। সূত্র: আর্থ
তাদের তৈরি করা একটি ছোট আইটডোর ইঞ্জিন রাতের আকাশকে একটি ঠাণ্ডা জলাধার হিসেবে ব্যবহার করে। যন্ত্রটি সারারাত ধরে উষ্ণ ও শীতল অংশের মধ্যে তাপমাত্রার িএকটি শক্তিশালী পার্থক্য বজায় রাখতে পারে। সেখান থেকে একটি ছোট পাখা চালানোর মতো বিদুৎ সরবরাহ করা যায়।
এই যুগান্তকারী কাজের নেতৃত্ব দেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোরনিয়া, ডেভসির বিজ্ঞানী জেরেমি ম্যান্ডে।
সায়েন্স অ্যাডভান্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সাধারণভাবে রাতে বায়ুমন্ডলের মধ্য দিয়ে তরঙ্গদৈর্ঘের একটি স্বচ্ছ ব্যান্ড বরাবর তাপ মহাকাশে লিক হতে থাকে। এই ব্যান্ডটিকে সাধারণত বায়ুমন্ডলীয় জানালা বলা হয়। সেখানে বাতাস সবচেয়ে স্বচ্ছ থাকে। বিজ্ঞানীদের তৈরি যন্ত্রের নীচের প্লেটটি মাটির উষ্ঞতা অনুসরণ করে।
যন্ত্রটির কয়েকটি প্লেট আছে।উষ্ঞ ও শীত প্লেটের মধ্যে ১৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস একটি স্থির তাপমাত্রার পার্থক্য দীর্ঘ সময়ের জন্য থাকলে ইঞ্জিনটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় একবার করে ঘোরে।
এতে উন্নত উপাদান ব্যবহার করে প্রতি বর্গমিটারে বেশ কয়েক ওয়াট বিদ্যুৎউৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। একটি পরীক্ষায় দেখা যায়, যন্ত্রটি সরাসরি একটি পাখা ঘুরাতে পারে। এছাড়া একটি ছোট মোটর যুক্ত করে পরিমিত বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি করতে পারে যন্ত্রটি।
বিজ্ঞানী ম্যান্ডে বলেন, এই ইঞ্জিন কুব কার্যকর হয় যখন শুধু তাপমাত্রার পার্থক্য থাকে। যদি আপনি এটিকে কোন টেবিলের ওপর রাখেন, তবে এটি নিজ থেকে কোন শক্তি উৎপাদন করবে না।
এই প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েচে স্টালিং ইঞ্জিন নামের একটি যন্ত্র। এটি বাহ্যিক তাপ উঞ্জিন যা আবদ্ধ গ্যাস ব্যবহার করে তাপমাত্রার পার্থক্যকে গতিতে রূপান্তরিত করে।
এটি বাহ্যিক তাপ ইঞ্জনি, যা আবদ্ধ গ্যাস ব্যবহার করে তাপমাত্রার র্পাথক্যকে গতিতে রূপান্তরতি কর। দুটি পস্টিন ও একটি তাপ সঞ্চয়কারী জিনোরটের ব্যবহার করে উষ্ণ ও শীতল অঞ্চলরে মধ্যে গ্যাস আদান-প্রদান করা হয় যন্ত্রটতি। এর ফলে গ্যাস প্রসারিত হয়, তারপর সংকুচতি হয়। তখন ফ্লাইহুইল নামের বিশেষ চাকা ঘুরে শক্তি উৎপাদতি হয়। ভবষ্যিতে বজ্ঞিানীরা এই প্রযুক্তি গ্রনিহাউস বা ভবনে রাতের বলে স্থতিশিীল বায়ু চলাচলের মতো গুরুত্বর্পূণ চাহিদা পূরণে ব্যবহার করতে আগ্রহী।

