গাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে ট্রাম্প গঠন করলেন তথাকথিত ‘পিস বোর্ড’
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি
নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি24ডটকম
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারক করতে ট্রাম্পের বানানো তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পর্ষদের’ সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস। সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার পর্ষদের সদস্য হিসেবে থাকছেন। হোয়াইট হাউস বলেছে, পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন ট্রাম্প নিজেই ।

টনি ব্লেয়ার। ফাইল ছবি
পর্ষদের অন্য সদস্যরা হলেন এ্যাপোলো গ্লোবাল ম্যানেজমেন্টের সিইও মার্ক রোওয়ান, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অজয় বঙ্গো ও মার্কিন উপজাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল।
গত বছরের শেষ দিকে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। অক্টোবরে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় সই করে। পরিকল্পনায় বলা হয়, একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সংস্থার ওপর তদারকির দায়িত্ব পালন করবে আন্তর্জাতিক ‘বোর্ড অব পিস’। এই পর্ষদ অন্তর্বর্তী সময়ে গাজার শাসনব্যবস্থা তদারকি করবে।
হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে, এই পর্ষদে সদস্যদের মধ্যে আরও থাকছেন মার্কিন ধনকুবের মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল। পাশাপাশি জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ গাজায় উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।তবে পর্ষদের সদস্যদের দায়িত্ব কী হবে, তা জানায়নি হোয়াইট হাউস।
শান্তি পর্ষদের ঘোষণার মধ্যেও গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকায় এ উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিনিরা।
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই শান্তি পর্ষদ গঠন করা হয়। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে গত বৃহস্পতিবার এ পর্ষদ গঠনের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
এ সময় হামাসের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘হামাসকে অবশ্যই তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো অবিলম্বে রক্ষা করতে হবে। এর মধ্যে ইসরাইলের কাছে সর্বশেষ জিম্মির লাশ হস্তান্তর এবং কালক্ষেপণ না করে পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণের পথে হাঁটার বিষয়টি রয়েছে।’
আল-জাজিরা জানায়, তথাকথিত শান্তি পর্ষদে ইরাক যুদ্ধের আগে মিথ্যা রটনার জন্য কুখ্যাত সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে অন্তর্ভূক্তির বিষয় ব্যাপক নিন্দা কুড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।

