আন্তর্জাতিকসর্বশেষ

গাজায় সৈন্য  পাঠানোর যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে রাশয়িা-চীনের জোর আপত্তি

নিউজ ডেস্ক

এনভিবিডি24ডটকম

১৪ নভেম্বর, ২০২৫

ফিলিস্তিনিরে গাজা ভূখণ্ডে স্থতিশিীলতা রক্ষায় আর্ন্তজাতিক বাহিনী গঠন এবং সেখানে তাদের পাঠানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে জোর আপত্তি জানিয়েছে রাশিয়া, চীন ও কয়েকটি আরব দেশ। এতে করে মার্কিন প্রস্তাবটি র্কাযত ঝুলে গেছে। সূত্র:টিআরটি ওয়ার্ল্ড

মূলত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ ও ইসরাইলি প্রত্যাহাররে নিশ্চয়তা না থাকায় মার্কিন প্রস্তাবটি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে তীব্র মতর্পাথক্যের সৃষ্টি হয়েছে।  

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গাজায় আর্ন্তজাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনে যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন নিশ্চিত করতে যে প্রস্তাব উত্থাপন করেছে চীন, রাশিয়া ও আরব দেশগুলো তাতে আপত্তি জানিয়েছে। তারা বলছে, গাজার প্রশাসনিক কাঠামো কেমন হবে এবং তাতে ফিলিস্তিনি কতৃপক্ষের ভূমিকা না থাকার বিষয় গ্রহণযোগ্য নয়।

জাতসিংঘে হওয়া আলোচনার বিষয়ে অবগত চার কুটনীতিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো-ক্ষমতাধারী স্থায়ী সদস্য রাশয়িা ও চীন দাবি করছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যে “র্বোড অব পিস” গঠনের কথা বলা হয়ছে, তা পুরোপুরি তুলে দিতে হবে।

স্থানীয় সময় গত বুধবার রাতে যে সংশোধিত খসড়া ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাতে তাতে যুক্তরাষ্ট্র ওেই বোর্ডের কথা উল্লেখ করেছিল। তবে আগের খসড়ায় রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার অভাব ছিল। এই অভিযোগের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র নতুন খসড়ায় ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের কথা উল্লেখ করেছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, আলোচনায় এমন শব্দচয়ন নিয়ে টানাপোড়নে নতুন কিছু নয়। তবে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা গণহত্যার পর এই আপত্তগিুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের অন্য সদস্যদের অবস্থানের বড় পার্থক্য রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী র্মাকো রুবওি বলেছেন, প্রস্তাবটি “এখনই” পাস হওয়া জরুরী। চলমান অবস্থা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ। কানাডায় জ–৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদেরকে তিনি বলেন,‘আমরা ভালো অগ্রগতি আশা করছি।’

গত সপ্তাহে প্রচারিত মার্কিন খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়ে  যে,  ২০২৭ সাল র্পযন্ত গাজায় র্কাযক্রম পরচিালনার জন্য একটি আর্ন্তজাতকি বাহনিীকে বিস্তারিত ম্যান্ডেট দেওয়া হবে। আর এই বাহনিী এখনও প্রতষ্ঠিতি না হওয়া র্বোড অব পিসএর সঙ্গে সমন্বয় করবে।

আরব দশেগুলো বলছে, তারা ওই বাহনিীতে সেনা পাঠাতে আগ্রহী, তবে তার জন্য আর্ন্তজাতকি অনুমোদন আবশ্যক। এছাড়া রাশয়িা, চীন ও আলজরেয়িা প্রথম খসড়াটি প্রত্যাখ্যান করে। আর নিরাপত্তা পরিষদের মাত্র দুই সদস্য বাদে  সংশোধনী জমা দেয়।

এই প্রস্তাব নিয়ে সবচেয়ে বড় যে দুটি প্রশ্ন সামনে এসেছে তা হলো— এতে ফিলিসস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিস্কার রোডম্যাপ নেই এবং ইসরাইলি সেনারা গাজা থেকে কবে সরে যাবে তারও কোন নিশ্চয়তা নেই।

পরে সংশোধিত প্রস্তাবের খসড়ায় বলা হয়েছে—ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সংস্কার “নিষ্ঠার সঙ্গে”বাস্তবায়তি হলে এবং পুর্নগঠনে অগ্রগতি এলে ফিলিস্তিনের আত্মনয়িন্ত্রণ ও রাষ্ট্র প্রতষ্ঠিার “বিশ্বাসযোগ্য পথ” তৈরি হতে পারে। এতে আরও বলা হয়ছে স্থিতিশীলতা বাহিনী গাজায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করলে এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনলে নির্ধারিত ‘মানদন্ড ও সময়সূচি’ অনুযায়ী ইসরাইলি বাহিনী গাজা ছাড়বে।

এছাড়া কয়েকটি সদস্য দেশ র্বোড অব পিসে কারা থাকবে এবং এটি কীভাবে কাজ করবে তা পরষ্কিার করতে যুক্তরাষ্ট্ররে প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ঘণিষ্ঠ মিত্র দেশ সংযুক্ত আরব আমরিাত (ইউএই) জানিয়েছে, র্বতমান র্শতে তারা কোনও বাহনিীতে অংশ নেবে না, কারণ কাঠামো এখনো পরষ্কিার নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *