ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৮

ইন্দোনেশিয়ার বন্যা উপদ্রুত একটি এলাকা। ছবি:জাকার্তা পোস্ট
নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি24ডটকম
২৯ নভেম্বর, ২০২
আচেহ প্রদেশের বাইরুনএলাকায় বন্যায় ব্রীজ ভেঙ্গে পড়ার পর নদীর তীর ধরে লোকেরা নৌকায় উঠার জন্য হেটে যাচ্ছেন। ছবিটি আজ শনিবার তোলা। ছবি:এপি
ঘুর্ণিঝড়ের তোড়ে ছুটে আসা মেঘের থেকে সৃষ্ট সপ্তাহব্যাপী প্রবল বৃষ্টিপাতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
এরমধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪৮ জন এবং থাইল্যান্ডের ১৪৫ জন মারা গেছে। সূত্র: আল-জাজিরিা
ঘুর্ণিঝড়ের থেকে সৃষ্ট সপ্তাহব্যাপী প্রবল বৃষ্টিপাতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। ইন্দোনেশিয়া সর্বাধিক ২৪৮ জন মারা গেছেন। সেখানে হতাহতদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা হিমশিম খাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। সুমাত্রায় আহত হয়েছেন ৫ শতাধিক।
পশ্চিম সুমাত্রার আঞ্চলিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান ইলহাম ওয়াহাব জানান, কেবল শুক্রবার সেখানে ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৯০ জন নিয়োখ হয়েছেন। বন্যায় ৭৫হাজার ২১৯ জন গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
থাইল্যান্ডের দক্ষিণের আট প্রদেশে বন্যায় ১৪৫ জন মারা গেছেন এবং ৩৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং মালয়েশিয়ায় ৯ জন মারা গেছেন।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের শীর্ষ নির্বাহী গতকাল শুক্রবার সুহারিয়ান্তো এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৌসুমি ঝড়ের প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে ঝড়ো হাওয়া এবং টানা বৃষ্টি হয়েছে সুমাত্রা দ্বীপে। শুক্রবার থেকে যদিও বৃষ্টিপাতের মাত্রা কমেছে কিন্তু আবহাওয়া পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। আচেহ এবং পশ্চিম সুমাত্রা প্রদেশে বন্যা কবলিত অনেক এলাকায় এখনও পৌঁছাতেই পারেনি উদ্ধারকারী কর্মীরা।
ঝড়-বৃষ্টির জেরে ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮১ কিলোমিটার আয়তনে এই দ্বীপটির বহু এলাকা বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। কোনো কোনো এলাকা ডুবে আছে সাড়ে তিন ফুট পানির নিচে। নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশে বাড়িঘর ছেড়ে ছুটছেন হাজার হাজার পরিবার।
বন্যা-ভূমিধসের কারণে দ্বীপের অনেক অঞ্চলে রাস্তা-ঘাট ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। সেসব এলাকার দুর্গত লোকজনকে উদ্ধারে এবং ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করতে বিমান বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া অঞ্চলগুলোতে বিদ্যুৎসংযোগ স্বাভাবিক করার কাজও শুরু হয়েছে বলে এএফপিকে জানিয়েছেন জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মুখপাত্র আবদুল মুহারি।
