থাইল্যান্ডে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত, সংস্কারপন্থী ও রক্ষণশীলদের মধ্যে লড়াই
নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি24ডটকম
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
থাইল্যান্ডে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। একইসঙ্গে সংবিধান নিয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সূত্র:আল-জাজিরা
নির্বাচনে সংস্কারপন্থী প্রগতিশীল ও রাজতন্ত্রের সমর্থক রক্ষণশীলদের মধ্যে লড়াই হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে কোন পক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ফিরে আসছে না দেশটিতে।
কেন আগাম নির্বাচন?
মে ২০২৫: প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে থাইল্যান্ডের ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। ওই সময় কম্বোডিয়ার হামলায় সীমান্তে এক থাই সেনা নিহত হন।
জুন ২০২৫: এ ঘটনার পর কম্বোডিয়ার সঙ্গে আলোচনার কথা বলে দেশটির সরকার প্রধান হুন সেনকে ফোন করেন তৎকালীন থাই প্রধানমন্ত্রী পায়েতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা। ওই ফোন কলে হুন সেনকে ‘আংকেল’ হিসেবে ডাকেন তিনি। এবং নিজ দেশের সেনাদেরই সমালোচনা করেন। তাদের মধ্যে হওয়া ওই ফোনকলটি লিক হয়ে যায়। যা প্রধানমন্ত্রী সিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।
ওই ফোনকলের জেরে প্রধানমন্ত্রী সিনাওয়াত্রার ফিউ থাই পার্টির সবচেয়ে বড় জোট ভুমজাইথাই পার্টি জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয়। এতে তার সরকার নড়েবড়ে হয়ে যায়, সরকার সামান্য ব্যবধানে টিকে ছিল।
আগস্ট ২০২৫: এমন উত্তেজনার মধ্যে থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত রায় দেয় প্রধানমন্ত্রী নৈতিকতা ভঙ্গন করেছেন। ফলে তার প্রধানমন্ত্রিত্ব আর থাকবে না।
সেপ্টেম্বর ২০২৫: এরপর সংসদের দ্বিতীয় বৃহৎ দল ভূমজাইথাই পার্টির অনুতিন চার্নভিরাকুল ‘পোগ্রেসিভ পিপলস পার্টির’ সঙ্গে নতুন জোট গঠন করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তবে অনুতিনকে শর্ত দেওয়া হয় সংসদ ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচন দিতে হবে।
ডিসেম্বর ২০২৫: শর্ত অনুযায়ী অনুতিন সংসদ ভেঙে দেন। এতে নতুন সাধারণ নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত হয়।

