রাজনীতিসর্বশেষ

নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্তকেন্দ্রভিত্তিক প্রতি কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
এনভি টোয়েন্টিফোর ডটকম
৪ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজীপুর-৬ ও নরসিংদী-৫ এই দুটি আসন ছাড়া জাতীয় সংসদের বাকি ২৯৮টি আসনে প্রার্থী ঠিক করে প্রায় চার মাস আগেই নির্বাচনের প্রস্ততিতিমূলক কাজ শুরু করেছে । এখন কেন্দ্রভিত্তিক প্রস্ততি শুরু করেছে দলটি। এর অংশ হিসেবে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবং ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি করা হচ্ছে।
আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এ কার্যক্রমগুলো শেষ হবে বলে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।
দলীয় সূত্র বলছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের লক্ষ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের চেতনায় ন্যায় ও সমতাভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করা। এ লক্ষ্য সামনে রেখে দলটি পুরোদমে নির্বাচনমুখী তৎপরতা চালাচ্ছে।
যদিও জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন এবং নির্বাচনের পদ্ধতি (সংখ্যানুপাতিক বা পিআর) নিয়ে বিএনপি, জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ইতিমধ্যে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ ছয়টি দল অভিন্ন দাবিতে মাঠের কর্মসূচি পালন শুরু করেছে। যার কারণে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখছেন অনেকে।

জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, জেলা-উপজেলার নেতাদের ভোট এবং কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ২৯৮টি আসনে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। তাঁরা এলাকায় কাজ করলেও এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত নয়। সমমনা দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা হলে কিছু আসন থেকে প্রার্থী সরিয়ে নেওয়া হবে।
৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার চেষ্টা করছে দলটি। একই সঙ্গে বিতর্কে না জড়িয়ে নীরবে প্রচার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্রচার এবং স্থানীয় উন্নয়নকেন্দ্রিক প্রতিশ্রæতি বা জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
এবার তরুণ প্রার্থী বেশি
অতীতে জামায়াতে মূলত প্রবীণ নেতৃত্বের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। কিন্তু এবার পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে দলের আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার চেষ্টা করছে দলটি। একই সঙ্গে বিতর্কে না জড়িয়ে নীরবে প্রচার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিত্তিক প্রচার এবং স্থানীয় উন্নয়নকেন্দ্রিক প্রতিশ্রæতি বা জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
জামায়াতের তরুণ প্রার্থীদের একজন দলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি আতাউর রহমান সরকার। তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আসনটিতে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান এবং তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী আবদুর রহমানের (সানি) ভাই কবির আহমেদ ভূঁইয়া। সেখানে বিএনপির দুটি শক্তিশালী পক্ষ সক্রিয় রয়েছে।
কসবা থেকে আতাউর রহমান সরকার গত বৃহস্পতিবার একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একসময় তো আমরা আমরাই বৈঠক করতাম, সভা করতাম, সাধারণ মানুষ আসত না। এখন আমরা গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠক করছি, কেন্দ্রভিত্তিক সভা করছি। আলহামদুলিল্লাহ, মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি, যা চিন্তাও করিনি।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকায় বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, সমস্যাগ্রস্ত মানুষের সাহায্য করা, মসজিদে মসজিদে নামাজ পড়ে মুসল্লিদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, কুশল বিনিময় করা, ইত্যাদি কাজগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে করছেন জামায়াতের প্রার্থীরা।
আমিরসহ নির্বাহী পরিষদের ১৫ জন প্রার্থী
দলীয় হিসাবে দেখা যায়, দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ২০ জন সদস্যের মধ্যে এবার পাঁচজন ছাড়া সবাই নির্বাচন করবেন। এই পাঁচজন হলেন আ ন ম শামসুল ইসলাম, আবদুর রব, এটি এম মা’ছুম, আবদুল হালিম ও এহসানুল মাহবুব জোবায়ের।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের যে ১৫ জন সদস্য নির্বাচন করছেন, তাঁদের মধ্যে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ এবং সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৫ আসনে নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন। নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান রাজশাহী-১, এ টি এম আজহারুল ইসলাম রংপুর-২ ও সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের কুমিল্লা-১১ আসনে প্রার্থী হবেন। সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৪ ও এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার-২ আসনে, কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ ময়মনসিংহ-৫, মো. ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরা-১, সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকা-১২, নুরুল ইসলাম বুলবুল (ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির) চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন (ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির) সিলেট-৬, মুহাম্মদ মোবারক হোসাইন ঢাকা-১৩, মোয়াযযম হোসাইন হেলাল বরিশাল-৫ ও অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন বগুড়া-১ আসনে নির্বাচন করবেন।
আলোচিত প্রার্থীরা
বিগত সময়ে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে বিভিন্নভাবে আলোচিত ছিলেন, এমন নেতাদের অনেককে এবার প্রার্থী করছে জামায়াত। তাঁদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শিশির মনির, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী (ঠাকুরগাঁও) অন্যতম।

ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালী-২ আসনে প্রার্থী হবেন। উদ্দীপনামূলক বক্তব্যের জন্য পরিচিত মাসুদ দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের তরুণ আইনজীবী হিসেবে আলোচিত ছিলেন শিশির মনির। তাঁকে জামায়াত এবার সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে প্রার্থী করছে। আসনটিতে দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত সংসদ সদস্য ছিলেন।
বিগত সময়ে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে বিভিন্নভাবে আলোচিত ছিলেন, এমন নেতাদের অনেককে এবার প্রার্থী করছে জামায়াত। তাঁদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শিশির মনির, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী (ঠাকুরগাঁও) অন্যতম।
ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সেই মুহাম্মদ রেজাউল করিমও এবার লক্ষ্মীপুর-৩ (পৌরসভা ও চন্দ্রগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী। যেখানে বিএনপির প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি)। রেজাউল করিম জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হবেন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেইন সাঈদী। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁকে টানা ৫৯ দিন রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। তাঁকে সংগঠনে নির্যাতিত নেতা মনে করা হয়। এ আসনটিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচন করেন।
আলোচিত ইসলামি বক্তা আমির হামযাকে কুষ্টিয়া-৩ আসনে প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে আজান দেওয়া নিয়ে এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মদের ছড়াছড়ি নিয়ে অসত্য বক্তব্য দিয়ে বিতর্কিত হন। যদিও পরবর্তী সময়ে তিনি এসব বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, আমির হামযার সঙ্গে তাঁরা বসেছিলেন। দলের আমির তাঁকে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক করেছেন।
প্রার্থী হচ্ছেন বিচারিক হত্যার শিকার শহীদদের যেসব সন্তান
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় বিচারিক হত্যার শিকার শহীদ নেতাদের সন্তনদের মধ্য থেকেও এবার যারা প্রার্থী হচ্ছেন। সাবেক আমির শহীদ মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাজিবুর রহমান মোমিন (পাবনা-১), শহীদ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছোট ছেলে মাসুদ সাঈদী (পিরোজপুর-১) ও বড় ছেলে শামীম সাঈদী (পিরোজপুর-২) এবং শহীদ মীর কাসেম আলীর ছেলে ব্যরিস্টার মীর আহমদ বিন আরমান (ঢাকা-১৪) আসনে প্রার্থী হবেন। ইতিমধ্যে তাঁরা নির্বাচনী এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রমসহ প্রচারণা চালাচ্ছেন।


এঁদের মধ্যে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছোট ছেলে মাসুদ সাঈদী ২০১৪ সালে পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালে আব্বার (দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী) মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আমি নির্বাচন করেছি। তখন আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছিলেন পাঁচ হাজার ভোট। আমি ২৫ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। আমি আস্থা রাখছি, পিরোজপুর সদর, জিয়ানগর ও নাজিরপুরের মানুষ আমাকে তাঁদের পাশে রাখবেন।’
কথা বলে জানা গেছে, জামায়াতের আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের চতুর্থ ছেলে হাসান ইমাম ওয়াফি শেরপুর-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে বাবার দল জামায়াতের সঙ্গে তাঁর সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। তিনি আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) থেকে নির্বাচন করতে চান বলে গতকাল শুক্রবার একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। এবি পাটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ-সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি জানান।
প্রার্থী না দেওয়া সেই দুটি আসন
জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের পর গাজীপুর জেলায় একটি আসন বেড়েছে। গাজীপুরে আগে পাঁচটি আসন ছিল, এবার ছয়টি। নতুন করে গঠিত গাজীপুর-৬ আসনে জামায়াত এখনো প্রার্থী ঠিক করেনি। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায় থেকে আপত্তি ওঠায় নরসিংদী-৫ আসনের প্রার্থী পরিবর্তন করা হতে পারে। এর বাইরে আগের সীমানা ধরে খুলনার বাগেরহাট জেলায় চারটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। নতুন সীমানা পুনর্র্নিধারণে বাগেরহাটে একটি আসন কমে তিনটি হয়েছে। সেখানে একজন প্রার্থী কমে যাবে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, গাজীপুর-৬ ও নরসিংদী-৫ আসনের প্রার্থী মনোনয়নপ্রক্রিয়া চলছে। খুব শিগগির নাম ঘোষণা করা হবে।
আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রথমবারের মতো জামায়াত নিয়ম ভেঙে দলের বাইরের জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের প্রার্থী করার চিন্তা করছে। এমনকি অমুসলিম প্রার্থীকেও বিবেচনায় নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এমন কিছু হলে সেটি হবে দলটির জন্য ব্যতিক্রম ঘটনা।
এই ব্যতিক্রম ঘটনা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে। তবে এই প্রথমবার জামায়াতের ঐতিহ্য ভেঙে অন্তত দুটি আসনে দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। আসন দুটি হচ্ছে পাবনা-৫ ও ময়মনসিংহ-৬। এই দুটি আসনে দ্ব›দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে, বিক্ষোভও হয়েছে।
পাবনা-৫ আসনে স্থানীয় জামায়াতের একাংশ দলের মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেনকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছে। তারা দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য আবদুর রহিমকে প্রার্থী করার দাবি জানান। ময়মনসিংহ-৬ আসনে কামরুল হাসান মিলনকে প্রার্থী ঘোষণার পর দলের একটি অংশ সাবেক জেলা আমির জসিম উদ্দিনকে প্রার্থী করার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় জসিম উদ্দিনের সব সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৫ আসন নিয়েও অসন্তোষ দেখা গেছে। জামায়াতের দায়িত্বশীল একজন নেতা জানান, বিক্ষোভের মুখে প্রার্থী পরিবর্তন করা হলে সংগঠনে খারাপ নজির স্থাপিত হতে পারে, তাই প্রার্থী পরিবর্তন করা হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *