মোরসালিনের গোলে ভারতকে হারিয়ে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ
নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি24ডটকম
১৯ নভেম্বর, ২০২৫
বাংলাদেশ ২২ বছর পর হারাল ভারতকে । সেই একই মাঠে যেখানে ২০০৩ সালের সাফ সেমিফাইনালে মতিউর মুন্নার গোল্ডনে গোলে ভারতকে কাঁদয়িছেলি বাংলাদেশ। এরপর পার হয়ে গেছে দুই দশক। মাঝের ১০ ম্যাচে ৬টিতে ড্র, ৪টিতে পরাজয়। ভারতের আধিপত্য যেন পাথরের মতো চেপে বসেছিল। অবশেষে জাতীয় স্টেডিয়ামেই শেষ হলো সেই অপেক্ষার পালা।এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ফিরতি ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে এক আনন্দভরা রাত।
গোল করার পর হাত উঁচু করে উদ্যাপন করেন শেখ মোরছালিন। তাঁর সঙ্গে সেই উদ্যাপনে যোগ দিতে দৌড়ে আসেন মোরছালিনকে র্দুদান্ত এক পাস দেওয়া রাকিব হোসেন।
গত ২৫ র্মাচ শিলংয়ে প্রথম লীগে গোলশূন্য ড্র হয়ছিল। সেদিনিই বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয় হামজা চৌধুরীর। গোলরে সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ সেইদিনই জিতে ফিরতে পারতো। কন্তিু কাল হলো ঘরের মাঠ,গ্যালারিভরা উন্মাদনার সামনে নিজদলের খেলোয়াড়রা হামজাকে কাঁধে তুলে নিলেন। কয়কেজন শুয়ে পড়লেন মাঠে। টেন্ট থেকে দৌড়ে এসে আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরলেন বাকি সবাই। ভারতের খেলোয়াড়রা দ্রুত মাঠ ছাড়লেন।
২০২৭ এশিয়ান কাপ বাছাইর্পবে পাঁচ ম্যাচে এটাই বাংলাদেশেরে প্রথম জয়। পাঁচ ম্যাচে ২ ড্র ও ১ জয়ে সংগ্রহ ৫ পয়ন্টে। গ্রুপে তৃতীয় স্থানের লড়াইয়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ দল। অন্যদিকে ৫ ম্যাচে ২ ড্র নিয়ে সবার নিচে রয়েছে ভারত। ভারতকে হারানো মানে শুধু ৩ পয়ন্টে নয়, মানসিক দিক থেকেও বড় এক জয়।
অবশ্য ভারত হারলেও তুলনামূলক ভালো ফুটবল খেলেছে। শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে জমাট হতে না দেওয়া। সেটাই করেছে তারা। গোল পেলেও আক্রমণে এগিয়ে ছিল তারাই। অন্যদিকে বাংলাদেশ গোল করার পর প্রায় পুরোটা সময়ই রক্ষণইে মনোযোগ দেয়। ১টি গোল ছাড়া তেমন ধারালো কোন আক্রমণ নেই, যা হয়েছে তা ছিল বিক্ষিপ্ত ও পাল্টা আক্রমণ।কন্তিু এত দিনের র্দুভাগ্য—গোল করে লিড ধরে রাখতে না পারা, এ ম্যাচে তা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। প্রায় ৮০ মিনিট লিড় ধরে রাখা গোলটাই এনে দিয়েছে রাতের মধুর হাসি। বাংলাদশে দল: মিতুল মারমা, তপু র্বমণ, তারিক কাজী, জায়ান আহমেদ (তাজ উদ্দনি), সাদ উদ্দিন, হামজা চৌধুরী, সোহেল রানা, শমিত শোম ও শেখ মোরছালিন (ইমন), রাকিব হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।

