সর্বশেষসারাদেশ

মাগুরায় বিলের পুকুরে ধরা পড়ল ৮ কেজি ওজনের কাকিলা মাছ

ছবি:সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

এনভিবিডি24ডটকম

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

মাগুরার শ্রীপুরে পুকুরে বড় আকৃতির কাকিলা মাছ ধরা পড়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) উপজেলার শ্রীকোল ইউনিয়নের বড়বিলা বিলসংলগ্ন একটি পুকুরে জাল ফেলতে গিয়ে স্থানীয় এক জেলের জালে মাছটি আটকা পড়ে।

এটির দৈর্ঘ্যে প্রায় আড়াই ফুট ও ওজনে প্রায় ৮ কেজি। অস্বাভাবিক আকৃতির কাকিলা এই মাছ এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সাধারণত এই প্রজাতির কাকিলা মাছ এত বড় আকারের হয় না। এ কারণে মাছটি পুকুর থেকে তোলার পর থেকেই গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে মাছটি স্থানীয় বাজারে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। বাজারের আড়তে শুধু স্থানীয়রাই নয়, দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে ছুটে আসেন বিরল আকৃতির এই মাছটি এক নজর দেখতে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিয়া তৌহিদ মাছটি দেখার পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মাছের ছবি আপলোড করে লেখেন— মাগুরা জেলা শ্রীপুর উপজেলা শ্রীকোল ইউনিয়ন বড়বিলার মাঠের পুকুরে ৮ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির কাকিলা মাছ ধরা পড়ছে। মুহূর্তের মধ্যেই তার পোস্টটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কমেন্ট, শেয়ার ও রিঅ্যাকশনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। অনেকেই পোস্টটির নিচে বিস্ময় প্রকাশ করে মন্তব্য করেন এবং ছবিসহ ঘটনাটি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে শেয়ার করতে শুরু করেন। এতে করে মাছটি দেখার আগ্রহ আরও বাড়তে থাকে। দুপুরের পর থেকে অনেকেই বাজারে ভিড় করেন শুধু মাছটিকে এক নজর দেখার জন্য। 

স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুল জলিল বিশ্বাস বলেন, আমার বয়স প্রায় সত্তরের কাছাকাছি। ছোটবেলা থেকেই মাছ ধরি। কিন্তু এত বড় কাকলে মাছ কখনো দেখিনি। এটা আমাদের এলাকায় বিরল ঘটনা।

স্থানীয় কৃষক আলম হোসেন বলেন, কাজ বাদ দিয়ে মাছ দেখে এসেছি। এমন মাছ তো দেখা যায় না রোজ রোজ। মনে হলো সরাসরি না দেখলে মিস করব। তাই বাজার থেকে কাকিলা মাছটি দেখে এসেছি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেড এম তৌহিদুর রহমান বলেন, এতো বড় আকৃতির কাকিলা মাছ সাধারণত দেখা যায় না। এই মাছ চাষাবাদ পদ্ধতিতে উৎপাদন করা হয় না। মূলত প্রাকৃতিক জলাশয় থেকেই এদের পাওয়া যায়। শ্রীপুরের বড়বিলা এলাকায় এমন একটি মাছ ধরা পড়া নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর একটি বিষয় তবে এটি প্রমাণ করে যে, স্থানীয় জলাশয়ের পরিবেশ এখনও জীববৈচিত্র্যের জন্য উপযোগী রয়েছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *