জাতীয়সর্বশেষ

নির্বাচনের আগে লুটের অস্ত্র উদ্ধারে জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন, স্বচ্ছ ও মানবিক রাষ্ট্র : জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
এনভিবিডি24ডটকম
২০ জানুয়ারি, ২০২৬
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে জোর দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার নিকারের বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠকের বিভিন্ন তথ্য সাংবাদিকদের জানান ।
প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্ধৃত করে প্রেস সচিব বলেন, লুট করা অস্ত্র যে করেই হোক ইলেকশনের আগে যত দ্রুত পারা যায় এগুলোকে উদ্ধার করতে হবে।
বৈঠকে ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ব্রিফিংয়ে উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে সারা দেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছে, ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে আগে থেকেই সিসিটিভি রয়েছে।
তিনি বলেন, অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ২১ হাজার ৯৪৬টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি বসাতে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রতিটিতে কমপক্ষে ছয়টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে।
বাকি কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যেগে এবং তাদের অর্থায়নে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে। এ কার্যক্রম ইতোমধ্যে সব জেলায় শুরু হয়েছে এবং জোরেসোরে চলছে। কয়েকটি জেলায় শতভাগের কাছাকাছি কেন্দ্রে ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।
গাজীপুর জেলার অগ্রগতির কথা তুলে ধরে উপপ্রেস সচিব বলেন, সেখানে মোট ৯৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বিশেষ বরাদ্দের আওতায় অধিকাংশ স্থানে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতেও আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, সারা দেশে ২৯৯টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এসব কেন্দ্রে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে জেনারেটরের মাধ্যমে ভোটের দিন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একটি সুষ্ঠু, ফ্রি, ফেয়ার, পিসফুল ও ফেস্টিভ নির্বাচন আয়োজনই সরকারের দায়িত্ব।
নির্বাচন সংক্রান্ত আরেক প্রশ্নে প্রেস সচিব আরো বলা হয়, নির্বাচন নিয়ে কোনো রকমের অনিশ্চয়তা নেই এবং নির্ধারিত সময়েই ভোট হবে।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি হবে, একদিন আগেও না, একদিন পরেও না এবং খুব সুন্দরভাবে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *