জাতীয়সর্বশেষ

রোগীর সেবা উৎসাহিত করতে ৫খানা হাদিস

ছবি:সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
এনভিবিডি24ডটকম
0১ ডিসেম্বর, ২০২৫

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাহিসালামকে উসওয়াতুল হাসানা বা সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। রাসুল হলেন মানবতার সুমহান শিক্ষক। জগতে যত মানবিক গুণাবলি আছে সবেই মহান নবীকে আল্লাহ দিয়েছেন। অসুস্থ্ মানুষ খুবই অসহায়। তার সেবা প্রয়োজন। রাসুল সা: রোগীর সেবাকে মহৎ কাজ, পুণ্যের কাজ হিসেবে বর্ণনা করে তা করতে মোমিনদেরকে ‍উৎসাহিত করেছেন। তিনি নিজে রোগীর সেবা করতেন এবং অন্যকেও রোগীর সেবা করতে উৎসাহিত করতেন। একাধিক হাদিসে রোগীর প্রতি রাসুল (সা.)-এর এমন সহমর্মিতার বিষয় প্রকাশ পেয়েছে। রোগীর সেবার ফজিলত সম্পর্কিত পাঁচটি হাদিস নিম্নে তুলে ধরা হলো—

প্রথম হাদিস:রাসুল (সা.) বলেছেন, এক মুসলিমের প্রতি অপর মুসলিমের হক পাঁচটি—

১. সালামের জবাব দেওয়া, ২. হাঁচিদাতাকে (তার আলহামদু লিল্লাহ বলার জবাবে) রহমতের (ইয়ারহুামুকুল্লাহ)দোয়া করা, ৩. দাওয়াত কবুল করা, ৪. অসুস্থকে দেখতে যাওয়া এবং ৫. জানাযার সাথে গমন করা।(মুসলিম)।

দ্বিতীয় হাদিস: রাসুল (সা.) বলেছেন, ক্ষুধার্থকে খাবার দিও, অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেও। (বুখারি)

তৃতীয় হাদিস: নবীজি (সা.) চিকিৎসা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মহান আল্লাহ বার্ধক্য ছাড়া এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি যার সাথে প্রতিষেধকেরও ব্যবস্থা করেননি (রোগও রেখেছেন, নিরাময়ের ব্যবস্থাও রেখেছেন)। (তিরমিজি)।

চতুর্থ হাদিস: আলী (রা.) বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, কোনো মুসলমান অপর (অসুস্থ) মুসলমানকে সকালে দেখতে গেলে ৭০ হাজার ফেরেশতা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য দোয়া করতে থাকে। যদি সে সন্ধ্যাবেলা তাকে দেখতে যায়, তাহলে ৭০ হাজার ফেরেশতা ভোর পর্যন্ত তার জন্য দোয়া করতে থাকে এবং জান্নাতে তার জন্য একটি ফলের বাগান তৈরি করা হয়।’ -(তিরমিজি : ৯১১)।

পঞ্চম হাদিস: রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা যখন কোনো রোগীর কাছে যাবে, তাকে সান্ত্বনা দেবে। (তিরমিজি)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *