শিয়ের সঙ্গে ফোনালাপ ‘খুবই চমৎকার’, এপ্রিলে বেইজিং সফরে যাব: ট্রাম্প

ছবি:সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি24ডটকম
২5 নভেম্বর, ২০২৫
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিয়াংপিংয়ের সঙ্গে তার ফোনালাপ ছিল ‘খুবই চমৎকার’। তিনি বলেন, এপ্রিল বেইজিং সফর করার শিয়ের আমন্ত্রণ তিনি গ্রহণ করেছেন।সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কোম্পানি ট্রূথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, তারা েইউক্রেন,রাশিয়া, ফেনটানিল, সয়াবিন ও অন্যান্য কৃষি পণ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের কৃষকদের একটি ভাল ও গুরুত্ব চুক্তিতে পৌঁছেছেন- যা আরো কল্যানকর হবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন ,গত মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় অত্যন্ত সফল আলোচনার পর তাদের মধ্যে এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হল। বর্তমান মতৈক্যের আলোকে উভয় পক্ষ তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে যা সঠিক পথে এগুচ্ছে।
তিনি বলেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট শি আমাকে বেইজিং সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং আমিও তাকে ওই বছরের শেষ দিকে আমার মেহমান হওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।
ট্রাম্প বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী। উভয় পক্ষ পরস্পরের সঙ্গে ঘণ ঘণ আলোচনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
চীনের সরকারী গণমাধ্যম জানায়, প্রেসিডেন্ট শি ট্রাম্পকে বলেছেন, তাইওয়ানকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওযার বিষয় হচ্ছে যুদ্ধোত্তর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সিনহুয়া জানায়, শি তার মার্কিন প্রতিপক্ষকে বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ের সুফল সুরক্ষায় বেইজিং ও ওয়াশিংটনকে এক যোগে কাজ করে যেতে হবে।
গত ৭ নভেম্বর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকেইচি আইনপ্রণেতাদের বলেন,তাইওযানের ওপর যে কোন চীনা হামলা ‘হুমকির পরিস্থিতিতে টিকে থাকার অবস্থার সৃষ্টি হবে যা জাপানকে ‘সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকার চর্চার’ অধিকার প্রদান করবে।.
তার এই মন্তব্যে চীন অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছে। চীন তার নাগরিকদের জাপান সফর না করার পরামর্শ দিয়েছে এবং জাপান থেকে সামুদ্রিক খাবার আমদানি নিষিদ্ধ করেছে।
চীন-মার্কিন সম্পর্কের কেন্দ্রে রয়েছে তাইওয়ান নিয়ে বিরোধ। চীন তাইওয়ানকে তার বিচ্ছিন্ন অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করে। ১৯৪৯ সাল থেকে তাইওয়ান স্বাধীন হওয়ার চেস্টা অব্যাহত রেখেছে।
তাইওয়ান সম্পর্ক আইনে আওতায় যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতিরক্ষায় সমর্থন দিচ্ছে।
