আন্তর্জাতিকসর্বশেষ

বোমাবর্ষণ বন্ধের ট্রাম্পের আহ্বান অগ্রাহ্যগাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৭০

নিউজ ডেস্ক
এনভি টোয়েন্টিফোর ডটকম
৫ অক্টোবর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলি জিম্মিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি তাঁর নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত করতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা গ্রুপটিকে পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র: আল-জাজিরা।
গাজা সিটির আল-মুখতার সড়কে শনিবার ইসরাইলি হামলার পর ঘণ ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়ছে

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যাকাজুড়ে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। গাজার মেডিকেল সূত্র এ খবর জানায়। হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা মেনে নেয়ার কথা জানানোর পর ট্রাম্প গাজায় বোমাবর্ষন বন্ধ করতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানান। দৃশ্যত ইসর্ইাল ট্রাম্পের আহ্বানে কোন কান দিচ্ছো বলে মনে হয় না।
নিহত ৭০ জনের মধ্যে ট্রাম্পের আহ্বানের পর শুক্রবার দিবাগত রাতে ২৫ জন এবং শনিবার ৪৫ জন নিহত হন।
কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসর্ইালের গণহত্যা ও ভয়াবহ হামলার মুখে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি স্থানচ্যুত হয়েছে। গাজার বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সেখানে যুদ্ধবিরতি চলার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ছাড়িয়েছে।
হামাসকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্পের দাবি
শনিবার ট্রাম্প হামাসকে বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে এবং যুদ্ধ শেষ করার তার পরিকল্পনার ব্যাপারে আলোচনা চূড়ান্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন, “নইলে সব কিছু নস্যাৎ হয়ে যাবে”।
তিনি বলেন,”আমি বিলম্ব সহ্য করব না, যা অনেকেই মনে করেন, অথবা এমন কোনও ফলাফল যা গাজার জন্য আবার হুমকির কারণ হবে। আসুন, দ্রুত এটি সম্পন্ন করি। সবার সাথে ন্যায্য আচরণ করা হবে!” ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে একথা বলেছেন।
একই দিন পরে দেওয়া আরেকটি পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রাথমিক সেনা প্রত্যাহার রেখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। হামাসকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। জিম্মি ও বন্দি বিনিময় করা হবে এবং পরবর্তী দফা সেনা প্রত্যাহারের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
হামাস ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং জিম্মি-বন্দি মুক্তিসহ ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাবের ব্যাপারে সম্মত হলে অস্ত্রসমর্পনের মতো কিছু বিষয়ে হামাস রাজি কিনা তা এখনো জানায়নি। এ সব বিষয় সুরাহা করতে ট্রাম্প তার দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনারকে মিসরে পাঠিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *