ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে: জার্মান চ্যান্সেলর
নিউজ ডেস্ক
এনভিবিডি24ডটকম
০১ মে,, ২০২৬
ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইলের সঙ্গে এক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।
ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস বলেন, ‘ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে। ইসরাইল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না।’
হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ম্যর্ৎস বলেন, ‘প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জার্মানি সামরিকভাবে অবদান রাখতে প্রস্তুত।’
সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিজের নাম লেখা সামরিক পোশাক পরে কথা বলার সময় জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, সাইপ্রাসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বৈঠকে তিনি ‘ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর’ তদবির করেছেন। কারণ হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা সকলের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণ হবে।
তার সরকার এসব বিষয়ে মিত্রদের, বিশেষ করে ওয়াশিংটনে সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বলেও জানিয়েছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, আমরা তা করছি সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কাজের ন্যায্য বিভাজন বজায় রেখে তা করছি আমরা।
এর আগে, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যার্ৎস। ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তারপরই ইরান এবং হরমুজ নিয়ে এসব মন্তব্য করলেন ফ্রিডরিক ম্যার্ৎস।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যাকায় ইসরাইলের গণহত্যায় সমর্থন ও অস্ত্রদাতা যুক্তরাষ্ট্রের পরেই যে দেশটি রয়েছে সেটি হল জার্মানি।

